এদেশ আমার, বাংলা আমার ভাষা।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে, বাঙ্গালি সংস্কৃতিকে লালন করে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নতুন প্রজন্মই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়বে।

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে মহাপরিকল্পনা নিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।

উন্নয়নে মাইলফলক স্থাপনে গত ছয় বছরের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে দেশকে বদলে দিতে চান তিনি। ইতিমধ্যেই দেশের অবকাঠামোর ক্ষেত্রে একের পর এক বৃহৎ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। যার বড় অংশ এখন দৃশ্যমান।

“বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ পরিনত হতে যাচ্ছে”

বাংলাদেশকে ঘিরে মহাপরিকল্পনা নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উন্নয়নে মাইলফলক স্থাপনে গত ছয় বছরের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে দেশকে বদলে দিতে চান তিনি। ইতিমধ্যেই দেশের অবকাঠামোর ক্ষেত্রে একের পর এক বৃহৎ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। যার বড় অংশ এখন দৃশ্যমান। ২০১৯ সালের মধ্যেই বাস্তবায়ন করতে চান পদ্মা সেতু, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, কর্ণফুলীতে টানেল, ঢাকা-চট্টগ্রামে নতুন নতুন ফ্লাইওভার, ঢাকার সঙ্গে সারা দেশের সংযোগে চার লেন, উড়ালসড়ক, কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, অর্থনৈতিক জোন, গভীর সমুদ্রবন্দর স্থাপনসহ উন্নয়নে মাস্টারপ্ল্যান প্রধানমন্ত্রীর। শুধু তাই নয়, বেসরকারি খাতকেও উৎসাহিত করে উন্নয়নে গতি আনতে চান তিনি। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের তদারকি করছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মনিটরিং সেল। প্রয়োজনে বিভিন্ন সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে প্রকল্পের। জানা যায়, গত মেয়াদে ক্ষমতায় এসে শেখ হাসিনার করা উন্নয়নের মাস্টারপ্ল্যানে রাখা হয় বাংলাদেশের ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট’-কে। প্রকল্পের কাজ এগিয়েও গেছে অনেকখানি। সব কাজ শেষে ২০১৭ সালের মধ্যে স্যাটেলাইট ‘বঙ্গবন্ধু-১’ পাঠানো সম্ভব হলে বাংলাদেশের নিরবচ্ছিন্ন টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। মিলিয়ন ডলার বেচে যাবে টেলিভিশন সম্প্রচার, টেলিফোন, রেডিওসহ অন্যান্য কাজে এতদিন দেওয়া ভাড়া থেকে। আবার বিদেশিদের কাছে ভাড়াও দেওয়া যাবে। বাংলাদেশের আরেকটি বৃহৎপ্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। প্রায় ৬০ বছর আগের এই পরিকল্পনা একেবারে বাস্তবায়নের দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছে। পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতোই বাংলাদেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের বিষয়টিও বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের মাস্টারপ্ল্যানে বৃহৎ অংশ জুড়েই আছে। গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ হলে বাংলাদেশ এই অঞ্চলের বাণিজ্যের হাবে পরিণত হতে পারে। গভীর সমুদ্রবন্দরের পাশাপাশি চট্টগ্রামের পর দ্বিতীয় অগভীর সমুদ্রবন্দর তৈরি হচ্ছে পায়রায়। সূত্র মতে, দেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতির চিত্র পাল্টে দিতে একসঙ্গে বেশ কিছু অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা আছে শেখ হাসিনার মাস্টারপ্ল্যানে। একসঙ্গে পাঁচটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক কাজ শুরুও করা হয়েছে। চট্টগ্রামের মিরসরাই ও আনোয়ারা, সিলেটের মৌলভীবাজার ও বাগেরহাটের মংলায় প্রথম চারটি অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে বিদেশিদের টাকায়, পঞ্চমটি হবে সিরাজগঞ্জে সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে। এ ছাড়া চীন, জাপান ও ভারতের মতো দেশের জন্য আলাদা অর্থনৈতিক এলাকার পরিকল্পনাও আছে মাস্টারপ্ল্যানে। ইতিমধ্যেই দেশের সমুদ্র তীরবর্তী জেলা কক্সবাজারকে নিয়েও করা হয়েছে মহাপরিকল্পনা। যোগাযোগ খাতের সবচেয়ে বড় প্রকল্প পদ্মা সেতু বাস্তবায়নে জোর দেওয়া সরকার নিজস্ব অর্থায়নেই এটি বাস্তবায়নের চূড়ান্ত পর্যায়ে চলে এসেছে। সরকারের মাস্টারপ্ল্যানে আরেকটি উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করে আছে সমুদ্র ভিত্তিক ব্লু-ইকোনমি। লক্ষ্য সাগরে বিশাল জলসীমায় থাকা বিপুল পরিমাণ সমুদ্র সম্পদের ব্যবহার। আবার এতদিন ধরে থাকা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করতে সব স্তরে ডিজিটাল পদ্ধতি প্রবর্তন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও দুর্নীতি দূর করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে সরকার।

“তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণেই তলাহীন ঝুড়ি থেকে ডিজিটাল বাংলাদেশ”

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণেই বাংলাদেশ আজ ‘তলাহীন ঝুড়ি’ থেকে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ মর্যাদা পাচ্ছে। কেবলমাত্র রাজধানী ঢাকাতে নয়, তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে দেশের ১২টি স্থানে হাইটেক পার্ক নির্মাণে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় তথ্য-প্রযুক্তি সম্মেলন ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৫’ এর দ্বিতীয় দিন আজ দুপুরে অনুষ্ঠিত ‘মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্স’-এ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে তিনি এসব কথা বলেন। জয় বলেন, দেশে বর্তমানে পাঁচ হাজরের মতো সাইট ও ইকমার্স ওয়েবপেজ রয়েছে। যার মাধ্যমে গত বছর ৬০০ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে, একই সঙ্গে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) এর মাধ্যমে আয় হয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকা। সরকারি সেবা পেতে জনগণকে সরকারের কাছে আসতে হবে না, আগামীতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সরকারই জনগণের কাছে পৌঁছে যাবে- এমন মন্তব্য করেন তিনি। এসময় জয় আরও বলেন, ‘পৃথিবীর যে প্রান্তেই হোক না কেন, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে জনগণকে শতভাগ সেবা দিতে সরকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সেবা খাত থেকে জিডিপিতে এক শতাংশ অবদান রাখার লক্ষ্যে ইপিজেডের আদলে ঢাকায় সফটওয়্যার ইক্সপোর্ট জোন (এসইজেড) তৈরি করতে যাচ্ছে সরকার। একইসঙ্গে মেধাস্বত্ব সংরক্ষণে নতুন করে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘দেশে বর্তমানে পাঁচ হাজরের মতো সাইট ও ইকমার্স ওয়েবপেজ রয়েছে। যার মাধ্যমে গত বছর ৬০০ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে। একই সঙ্গে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) এর মাধ্যমে আয় হয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকা।’ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমানের সঞ্চালনায় বিভিন্ন দেশের মন্ত্রীপরিষদ সদস্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন আইটিইউ মহাসচিব হাউলিন ঝাও, ভুটানের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী দিনা নাথ ধুনগোয়েল, মালদ্বীপের মন্ত্রী আহমেদ আদিম, নেপালের মন্ত্রী মিনেন্দ্র প্রসাদ। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবুল আব্দুল মুহিত এবং আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণেই বাংলাদেশ আজ ‘তলাহীন ঝুড়ি’ থেকে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ মর্যাদা পাচ্ছে। ২০০৮ সালের দারিদ্রতা ৪০ শতাংশ থেকে ২৬ শতাংশে নেমে এসেছে, মোবাইল ব্যবহারকারী ২০ মিলিয়ন থেকে ১২০ মিলিয়নে দাঁড়িয়েছে এবং ইন্টারনেট ব্যবহারকারী দশমিক ০৪ থেকে বেড়ে ২৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।’ আইটিইউ মহাসচিব হাউলিন ঝাও বলেন, ‘যে দেশ যতদ্রুত ইনফরমেশন হাইওয়েতে যুক্ত হবে তাদের অর্থনীতি ততটাই চাঙ্গা হবে। বাংলাদেশ ও বিভিন্ন দেশের সরকার আইসিটিতে যেভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে তাতে করে খুব শিগগিরই এসব দেশ অর্থনৈতিক ভাবে সুসংহত হবে।’ অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবুল আব্দুল মুহিত বলেন, ‘আইসিটি খাতের উন্নয়নে সবচেয়ে বড় অবদান রাখছে দেশের তরুণ প্রজন্ম। তাই নতুন উদ্যোক্তাদের সরকার সার্বিক সহায়তা দিচ্ছে।’

“বাংলাদেশের প্রতি ইঞ্চি মাটি ডিজিটালের আওতায় আনা হবে”

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতি ইঞ্চি মাটিকে ডিজিটাল কানেকটিভিটির আওতায় আনা হবে। ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি বুধবার ইনফো সরকার-৩ প্রকল্প অনুমোদনের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের দোরগোড়ায় প্রযুক্তির সুফল পৌঁছে দিতে এবং সরকারের সাথে আরো বৃহদাকারে জনগণের সংযোগ স্থাপনে আজ এক নতুন দিগন্তের দ্বার উন্মোচন হলো। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার। ইনফো সরকার-৩ প্রকল্পের অনুমোদনের মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থানের পাশাপাশি সারাদেশকে আরো বেশী ডিজিটাল কানেকটিভিটির আওতায় নিয়ে আসতে সক্ষম হলাম। পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতি ইঞ্চি মাটিকে এই সংযোগের আওতায় আনা হবে। গত ২২ জুলাই ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ইনফো সরকার-৩ প্রকল্প অনুমোদন করলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলক এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার এই অনুভূতি ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, সামাজিক অগ্রগতি এবং জনগণের সন্তুষ্টি অর্জন বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি দক্ষতা ও যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিতকরণও সরকারের অভিষ্ট লক্ষ্য। তাই আমরা ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত জনগণকে ইন্টারনেট বিশ্বে নিয়ে যেতে চাই, চাই আধুনিক পেশার সঙ্গে সংশ্লেষ ঘটাতে। উল্লেখ্য, সাড়ে ৮ হাজার কিলোমিটার ফাইবার অপটিক কেবলের মাধ্যমে ইনফো সরকার-৩ প্রকল্পের মাধ্যমে সারাদেশের ১,২০০ ইউনিয়নকে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগের আওতায় আনা হবে। এছাড়াও ৭ বিভাগ, ৬৪ জেলা, ৬৪ উপজেলা, ৩১৯ পৌরসভা এবং ১০০টি কলেজে (সর্বমোট ৫৫৪টি) বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং (বিপিও) সেন্টার স্থাপন করা হবে। এই ৭ বিভাগ, ৬৪ জেলা এবং ১০০টি কলেজকে (মোট ১৭১টি) ভিডিও কনফারেন্সিং সিস্টেমের আওতায় আনা হবে। ১০ গিগাবিট পার ইথারনেট এর মাধ্যমে জেলা আইসিটি সেন্টার থেকে বিভাগীয় সদরদপ্তর/ ন্যাশনাল ডেটা সেন্টারে এবং ইউনিয়ন আইসিটি সেন্টার থেকে জেলা আইসিটি সেন্টারে ব্যকবোন নেটওয়ার্ক ব্যান্ডউইডথ বিস্তৃত করা হবে। ২০০ উপজেলায় উপজেলা আইসিটি সেন্টারের ব্যাকবোন নেটওয়ার্ক আপ-গ্রেডেশন করা এবং ৬৪টি জেলা আইসিটি সেন্টারে ৬৪টি ব্যাকআপ ব্যাকবোন রাউটার স্থাপন করা হবে। পাইলটিং ভিত্তিতে ২৫০ ক্লায়েন্টের ডেঙ্টপ ক্লাউড চালু, নেটওয়ার্ক সরঞ্জাম পর্যবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য ঘবঃড়িৎশ গধহধমবসবহঃ ঝুংঃবস বিস্তৃত করা এবং একটি হেল্প ডেঙ্ স্থাপনের মাধ্যমে জনসাধারণের নেটওয়ার্ক সম্পর্কিত প্রশ্নের সমাধান দেয়া ইত্যাদি বিষয়ও ইনফো সরকার-৩ প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত। বাংলা গভ নেট ও ইনফো সরকার-২ প্রকল্পের মাধ্যমে ইতোমধ্যে প্রায় সব উপজেলাকে ফাইবার অপটিক ক্যাবলের আওতায় আনা হয়েছে। চালু করা হয়েছে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত ৮০০ অফিসে ভিডিও কনফারেন্সিং সুবিধা।

“তথ্য-প্রযুক্তির যুগে ভাষাকে বাঁচিয়ে রাখতে ই-বুকের দিকে ঝুকতে হবে”

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেছেন, “মননশীল মানুষের কাছে বই চিরদিনেই একটি প্রিয় বস্তু। তাদের কাছে বই যুগে যুগে সমাদৃত হয়েছে। এক সময় বই ছিল পাথরে খোদাই করে লেখা। তারপর বই এসেছে গাছের বাঁকলে, তাল পাতায়, পেপিরাসে। কাগজে ছাপা বই দীর্ঘদিন ধরে টিকে আছে। হয়তো আরো বহুদিন থাকবে। আজকের এই কাগজের বইয়ের থেকে যদি ডিজিটাল বই উন্নত হয়, পাঠক-বান্ধব হয় তাহলে তো কারো আপত্তি থাকার কথা নয়।” ২৩ এপ্রিল আন্তর্জাতিক বই দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে ডিজিটাল বই: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক একটি কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে সেকায়েপ প্রকল্পের পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচির উদ্যোগে বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাংলামটরস্থ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ইস্ফেন্দিয়ার জাহেদ হাসান মিলনায়তনে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব মো. নজরুল ইসলাম খান বলেন, “তথ্য-প্রযুক্তির যুগে ভাষাকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে আমাদের অবশ্য ই-বুকের দিকে ঝুকতে হবে। এছাড়া বইগুলো ই-বুকে রুপান্তর হলে পাঠক এক হাজার টাকা দামের একটি বই হয়তো দশ টাকা/বিশ টাকায় পড়তে পারবে। এতে করে একদিকে যেমন পাঠক বাড়বে অন্যদিকে তেমনি প্রকাশকদের আয়ও বেড়ে যাবে।” অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, সেকায়েপ প্রকল্পের পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব জনাব ড. মো: মাহামুদ-উল-হক। কর্মশালায় মূল বিষয় উপস্থাপন করেন, তথ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মোস্তাফা জব্বার ও জনাব মুনির হাসান। কর্মশালায় দেশের বিশিষ্ট লেখক ও প্রকাশকগণ উপস্থিত ছিলেন।

আমরাই পারি, আমরাই পারব; উন্নত -সমদ্ধৃ ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে > > >

  • চোখের পলকে উঠবে ছবি

    এত দিন ক্যামেরা, স্মার্টফোনে ছবি তোলার বিষয়টি দেখেছেন। এখন চোখে বসানো বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে ছবি তোলা বা ভিডিও ধারণ করার যন্ত্র তৈরি শুরু করছে প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। ওই ছবিগুলো মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপেও দেখা যাবে। এ রকম নতুন ধরনের কন্টাক্ট […]

    Continue Reading →
  • একসঙ্গে চালকহীন গাড়ি বানাবে গুগল ও ফিয়াট

    একসঙ্গে চালকহীন গাড়ি বানাবে সার্চ জায়ান্ট গুগল ও ইতালিয়ান গাড়ি প্রস্ততকারক প্রতিষ্ঠান ফিয়াট। প্রতিষ্ঠান দুটি যৌথভাবে ১শ-টি চালকহীন মিনিভ্যান বানাবে

    প্রতিষ্ঠান দুটি জানিয়েছে, স্বয়ংক্রিয়ভাবে গাড়ি চালানোর ব্যবস্থা, সেন্সর এবং গাড়ির বিভিন্ন সফটওয়ারের উন্নয়ন ঘটাতে তারা একসঙ্গে কাজ করবে। প্রতিষ্ঠান দুটি চাইছে […]

    Continue Reading →
  • কম দামে ল্যাপটপ মিলবে ‘সামার ল্যাপটপ’ মেলায়

    রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) শুরু হচ্ছে তিনদিনব্যাপী ‘সামার ল্যাপটপ ফেয়ার ২০১৬’। আগামী ১৩ মে থেকে শুরু হওয়া এই মেলায় যেকোনো কম্পিউটার বাজারের তুলনায় কম দামে ল্যাপটপ পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।  সোমবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত […]

    Continue Reading →
  • দেশের সর্বপ্রথম মোবাইল কাউন্সিলিং সার্ভিস আনলো বাংলালিংক

    মোবাইল অপারেটর বাংলালিংক নিয়ে এসেছে কল সেন্টারভিত্তিক মোবাইল কাউন্সেলিং সার্ভিস বাংলালিংক মাইন্ড কেয়ার। এর মাধ্যমে গ্রাহকরা তাদের মানসিক সমস্যা অথবা দৈনন্দিন সমস্যা থেকে উদ্ভূত যে কোন মানসিক চাপের ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ পরামর্শক ও ক্লিনিক্যাল মনোবিজ্ঞানীদের সাথে সরাসরি কথা বলার পাশাপাশি তাদের […]

    Continue Reading →
  • উল্টোপথে গাড়ি চলাচল বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে রুল

    ঢাকা মহানগরীরতে উল্টো পথে যান চলাচল বন্ধে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। জনস্বার্থে দায়ের করা এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ বুধবার বিচারপতি সৈয়দ মোহম্মাদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি এ কে এম শাহিদুল হকের […]

    Continue Reading →

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে -----

ডিজিটাল বাংলাদেশের কার্যক্রম বাস্তবায়নে ------“বাংলাদেশ আওয়ামী ডিজিটাল প্রজন্ম লীগ” তথ্য প্রযুক্তির সেবায় সব সময় আছি জনগণের পাশে।

মোঃ নাসির উদ্দীন ভূঁইয়া > সভাপতি > কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি > বাংলাদেশ আওয়ামী ডিজিটাল প্রজন্ম লীগ।

সভাপতি

আল আমিন হাওলাদার > সাধারন সম্পাদক > কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি > বাংলাদেশ আওয়ামী ডিজিটাল প্রজন্ম লীগ।

সাধারন সম্পাদক

এ,এফ, এম লুৎফুর রহমান > সাংগঠনিক সম্পাদক > কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি > বাংলাদেশ আওয়ামী ডিজিটাল প্রজন্ম লীগ।

সাংগঠনিক সম্পাদক